সেবা, রেপ্টো, এনোভেশন, বাজঅ্যালী,  ক্র্যামস্টেক এবং সোশিয়ান; খুব পরিচিত এই নামগুলোকে একসাথে দেখা গিয়েছিল ‘জিপি এক্সেলারেটর ইনফোসেশনঃ মিট দ্যা জিপিএ অ্যালুমনাই’ ইনফোসেশনে। জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামে অংশ নেয়ার  পর নিজেদের স্টার্টআপ কিভাবে এগিয়ে গিয়েছে গল্পে গল্পে সেটাই জানিয়েছেন ‘জিপি এক্সেলারেটর’ প্রোগ্রামের ব্যাচ-১ এবং ব্যাচ-২ থেকে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করা স্টার্টআপগুলো।

 

IMG-20170227-WA0009

 

ইএমকে সেন্টারে অনুষ্ঠিত ইন্টারঅ্যাকটিভ এই সেশনের শুরুতেই নিজের স্টার্টআপ সেবা নিয়ে কথা বলেছেন সেবার সিইও আদনান ইমতিয়াজ। আদনান জানান, “জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম শুরু করার আগে আমি নিজেদের স্টার্টআপ নিয়ে যেমন পরিকল্পনা করেছিলাম সেটা একেবারেই পরিবর্তন করতে হয়েছে। এক্সপার্ট মেন্টর সেশন এবং ইনহাউজ মেন্টরদের কাছ থেকে পরামর্শ নিয়ে আমরা বাংলাদেশের উপযোগী সার্ভিস প্রোভাইডার কোম্পনি হিসেবে নিজেদের ব্যবসা পরিচালনা করতে শুরু করেছি, যেটা শুধু মাত্র এই এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম থেকেই শিখতে পেরেছিলাম”।

 

জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামে অংশ নেয়ার আগে ব্যবসা পরিচালনা এবং টার্গেট কাস্টমার নিয়ে খুব কমই ধারণা ছিল বাজঅ্যালীর কো-ফাউন্ডার অর্নব তানভীরের। এই প্রোগ্রাম থেকে শিক্ষা নিয়েই একটি ব্যবসার স্ট্রাকচার কিভাবে ঠিক করতে হয় এবং সফল ব্যবসা তৈরিতে কাস্টমারদের কাছে কিভাবে সহজে পৌঁছানো যায় তার একটি ম্যাপ তৈরি করতে পারছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

 

“জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম শেষ হয়ে গেলেও আমরা এখনও মেন্টর এবং এসডি এশিয়া টিমের সাথে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করিনি। আমাদের অনেক প্রয়োজনেই তাদের সাহায্য আমাদের এখনও কাজে আসছে”। ব্যবসা সম্প্রসারণে এমন সুসম্পর্কের খুব প্রয়োজন রয়েছে বলে জানিয়েছেন ক্র্যামস্টেকের কোফাউন্ডার এবং সিইও মীর সাকিব।

সোশিয়ানের কোফাউন্ডার এবং সিইও জানিয়েছেন এই এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম টেক স্টার্টআপদের কিভাবে সহযোগিতা করে সেই কথা। “কর্পোরেট ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো  তাদের সোশ্যাল অ্যানালিটিকসগুলো কিছুটা ভিন্নভাবে জানতে চায়। এই প্রোগ্রামে অংশ নেয়ার পর কর্পোরেট কাস্টমারদের চাহিদা কিংবা মার্কেট ভ্যালু সম্পর্কে ইন-হাউজ মেন্টরদের কাছ থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি”।

স্টার্টআপ নিয়ে নিজের একাগ্রতা এবং জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামে অংশ নেয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন রেপ্টোর সিইও এবং কো-ফাউন্ডার ইশতিয়াক সিয়াম। মাত্র ১৮ বছর বয়সে এইচএসসি পরিক্ষা  না দিয়ে এই এস্কেলারেটর প্রোগ্রামে অংশ নিয়েছিল।প্রোগ্রাম থেকে পাওয়া ফান্ড এবং মেন্টরশিপ নিয়ে এখন তিনি নিজের এডুকেশন প্লাটফর্মটি নিয়ে আরও এগিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন।  তাই প্রতিবন্ধকতা পেরিয়ে আসা সম্ভাবনাময় স্টার্টআপদের  অনেক দূর এগিয়ে নিতে এই এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম সাহায্য করে যাচ্ছে।

ইনফোসেশনটি পরিচালনা করেছেন এসডি এশিয়ার সিইও এবং ফাউন্ডার মুস্তাফিজুর রাহমান খান এবং এসডি এশিয়ার কোফাউন্ডার সামাদ মিরালী।

যারা জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামটি সম্পর্কে এখনও জানেন না তারা জেনে নিতে পারেন, আর্লি স্টেজে থাকা স্টার্টআপদের সাহায্য করার জন্য জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম ডিজাইন করা হয়েছে।চার মাসের এই এক্সেলারেটর প্রোগ্রামের সময় জিপি হাউজে স্টার্টআপগুলোর জন্য ফ্রি অফিস স্পেস ছাড়াও সিড ফান্ডিং হিসেবে প্রায় ১১ লাখ টাকা দেয়া হবে। বিজনেস স্কেল আপের পাশাপাশি ব্যবসাকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে ফিনান্সিয়াল মডেলিং করতেও সাহায্য করবে এই এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম।

মিনিমাম ভায়াবল প্রোডাক্ট(এমভিপি) নিয়ে জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামে যেকোনো টেক স্টার্টআপই লিংকটিতে যেয়ে আবেদন করতে পারেন। –www.grameenphoneaccelerator.com/apply

 

SD Asia Desk