নিজের একটা স্টার্টআপ দিতে চাচ্ছেন; কিন্তু কোম্পানির রেজিস্ট্রেশন কিভাবে করবেন, কোম্পানিটি পার্টনারশিপে হবে কিনা অথবা স্টার্টআপের ফান্ড রেইজ করার বিষয়টি কিভাবে মীমাংসা হবে সেটা নিয়ে চিন্তায় পরেন না এমন কেউ প্রায় নেই বললেই চলে। আর তাই এসব প্রশ্নের উত্তর মিলেছে জিপি এক্সেলারেটর লিগাল ইনফোসেশনে।

unnamed (2)

স্টার্টআপদের লিগাল সংক্রান্ত ঝক্কি-ঝামেলার সমস্যাগুলোর সমাধানের জন্য জিপি হাউজে ইনফোসেশনটি পরিচালনা করেন সুপ্রিম কোর্টের অ্যাডভোকেট ইফতেখারুল আলম ভুঁইয়া।

 

লিগাল সেশনটির উল্লেখজনক কিছু অংশ তুলে ধরা হল,

বাংলাদেশে স্টার্টআপ খুলতে হলে শুরুতেই তিনটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।স্টার্টআপটি সোল প্রোপেইটরশিপ, পার্টনারশিপ ফার্ম নাকি লিমিটেড কোম্পানি থেকে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে সেটা ঠিক করতে হবে। প্রি-রেজিস্ট্রেশনের জন্য কোম্পানির নাম, অন্তত দু’জন ডিরেক্টর/কো-ফাউন্ডার থাকতে হবে যাদের বয়স কমপক্ষে ১৮ হতে হবে। তাছাড়া কোম্পানির জন্য সর্বোচ্চ ৫০ জন শেয়ারহোল্ডার থাকতে পারবে।

 

প্রি-রেজিস্ট্রেশনে প্রক্রিয়াঃ

 

www.roc.gov.bd সাইট থেকে নাম নিবন্ধন শেষে নির্দিষ্ট ব্যাংকে ৬০০ টাকার ফর্ম জমা দিয়ে কয়েকটি শর্ত মেনে কোম্পানির নাম নিবন্ধন করতে হবে। এরপর RJSC-র ওয়েবসাইট থেকে নির্দিষ্ট তথ্য প্রদান করে ব্যাংকের পেমেন্ট স্লিপ তুলতে হবে। রেজিস্ট্রেশন ফি পরিশোধ হয়ে গেলে RJSC-র অফিসিয়াল আপনার কোম্পানির তথ্য পর্যালোচনা করলে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হবে।

 

পোস্ট রেজিস্ট্রেশন:

পোস্ট রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়ায় RJSC একটি ইনকরপোরেশন সার্টিফিকেট প্রদান করবে। এরপর আবেদন করতে হবে ট্রেড লাইসেন্স এবং ট্যাক্স আইডেনটিফিকেশন নাম্বারের জন্য। ট্যাক্সের ক্ষেত্রে রিটার্ন ফাইলিংয়ের প্রয়োজন পরে। রিটার্নিং ফাইলিংয়ের ক্ষেত্রে অ্যানুয়েল রিটার্ন এবং রেগুলার রিটার্ন দু’ভাবে সম্পন্ন করতে হবে।

 

ফান্ড রেইজিংঃ

স্টার্টআপটির ফান্ড রেইজিং শুরু হতে পারে ‘বুটস্ট্র্যাপ’ প্রক্রিয়া থেকে। শুরুতেই খুব কম ক্যাপিটেল থেকে স্টার্টআপটির যাত্রা শুরু হতে পারে। তাছাড়া ‘সিড ফান্ডিং’ থেকেও স্টার্টআপটি ফান্ড রেইজ করতে পারে। বড় অংকের ফান্ডের জন্য রয়েছে ‘ভেঞ্চার ক্যাপিটাল’।

প্রায় সত্তর জন আগ্রহী উদ্যোক্তা অংশ নিয়েছিল ‘লিগাল আসপেক্টস অফ স্টার্টআপ’ শিরোনামে লিগাল সেশনে।

স্টার্টআপদের পরামর্শ দিতে গিয়ে ভুঁইয়া বলেন, “বাংলাদেশে এখন অনেক সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ রয়েছে। স্টার্টআপদের এক্সিকিউশনের উপর সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দিতে হবে। আর তাই, ইউনিক আইডিয়ার চেয়ে বরং নিজেদের কাজ সঠিকভাবে পরিচালনার মাধ্যমে স্টার্টআপগুলো এগিয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়”।

আগ্রহী স্টার্টআপগুলো জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম সম্পর্কে আরও জানতে এই ফেব্রুয়ারি মাসে আয়োজিত হতে যাওয়া ইনফরমেশন সেশনগুলোতে অংশ নিতে পারেন। বিস্তারিত জানতে ফেসবুক পেজ- https://www.facebook.com/gpaccelerator/  অথবা ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন- http://www.grameenphoneaccelerator.com. 

SD Asia Desk