‘জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম’ স্টার্টআপগুলোকে কিভাবে সাহায্য করবে? সিড ফান্ডিং দেয়ার প্রক্রিয়াটি কি হবে?  কো-ফাউন্ডারের সাথে ইকুইটি শেয়ারের বিষয়টি কেমন হবে?”

ঢাকার বনানীতে অবস্থিত কো-ওয়ার্কিং স্পেস ‘মোড়’এ অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া ‘জিপি এক্সেলারেটর’ ইনফোসেশনে এমন সব প্রশ্ন নিয়ে হাজির হয়েছিল আগ্রহী তরুণ উদ্যোক্তারা।

নিজেদের স্টার্টআপ নিয়ে ‘জিপি এক্সেলারেটর’ প্রোগ্রামে অংশ নিতেই উদ্যোক্তাদের জানার আগ্রহের কমতি ছিল না। এরই মধ্যে জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামের আবেদন প্রক্রিয়া নিয়ে স্টার্টআপগুলোর সব প্রশ্নের উত্তর দেয়া হয়।

ইনফোসেশনটি পরিচালনা করেছেন এসডি এশিয়ার সিইও এবং ফাউন্ডার মুস্তাফিজুর রাহমান, এসডি এশিয়ার সহ প্রতিষ্ঠাতা ফায়াজ তাহের এবং গ্রামীণফোন এক্সেলারেটর টিমের সদস্যরা।

এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম সম্পর্কে বেশ কিছু প্রশ্ন মাথায় নিয়ে হাজির হয়েছিলেন স্টার্টআপ জলপাই এর ফাউন্ডার এবং সিইও রেজা-উল-কবির। এমনকি সেশনটি থেকে অনেক প্রশ্নের উত্তরও পেয়ে গেছেন বলে জানিয়েছেন তিনি।

অনেকেই জানতে চেয়েছিল, শুধু আইডিয়া স্টেজে থেকে এবং কোন প্রতিষ্ঠানে নিজে একাই সিইও এবং ফাউন্ডার হিসেবে প্রোগ্রামে অংশ নেয়া যাবে কিনা। তাদের প্রশ্নের উত্তরেই বেরিয়ে আসে,    প্রোগ্রামটিতে অংশ নিতে হলে স্টার্টআপটির এমভিপি থাকতে হবে, সেই সাথে স্টার্টআপটির অন্তত দু’জন কো ফাউন্ডার থাকতে হবে যারা জিপিহাউজে ফুল টাইম কাজ করবে।

কোন একটি প্রতিষ্ঠানের অংশ থেকে নতুন কোন প্রোডাক্ট নিয়ে প্রোগ্রামে অংশ নেয়া যাবে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে জানা যায়, সেটাও সম্ভব। সিড ফান্ডিং দু’ধাপে দেয়ার প্রক্রিয়া এবং ফান্ড খরচ করার কোন বাধ্যবাধকতা রয়েছে কিনা এমন প্রশ্নের উত্তরে উঠে আসে, চার মাসের প্রোগ্রাম শুরুতে কন্ট্রাক্ট সাইনের সময় প্রথম ধাপের ফান্ড দেয়া হয়। দ্বিতীয় ধাপের ফান্ড দেয়া হয় ডেমো ডেতে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করার পর।

ইন্টারঅ্যাকটিভ সেশনটিতে অংশ নিয়েছিল তরুণ উদ্যোক্তা নামিরা হোসেইন। তিনি জানান, “জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামটির প্রক্রিয়াটি সম্পর্কে আরও ভালভাবে জানতেই এই সেশনে অংশ নেয়া। নিজের স্টার্টআপ নিয়ে আমি জিপি এক্সেলারেটরে অংশ নিতে আগ্রহী”।

 

যারা জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামটি সম্পর্কে এখনও জানেন না তারা জেনে নিতে পারেন, আর্লি স্টেজে থাকা স্টার্টআপদের সাহায্য করার জন্য জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম ডিজাইন করা হয়েছে।চার মাসের এই এক্সেলারেটর প্রোগ্রামের সময় জিপি হাউজে স্টার্টআপগুলোর জন্য ফ্রি অফিস স্পেস ছাড়াও সিড ফান্ডিং হিসেবে প্রায় ১১ লাখ টাকা দেয়া হবে। বিজনেস স্কেল আপের পাশাপাশি ব্যবসাকে আরও সামনে এগিয়ে নিতে ফিনান্সিয়াল মডেলিং করতেও সাহায্য করবে এই এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম।

মিনিমাম ভায়াবল প্রোডাক্ট(এমভিপি) নিয়ে জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রামে যেকোনো টেক স্টার্টআপই লিংকটিতে যেয়ে আবেদন করতে পারেন। –www.grameenphoneaccelerator.com/apply

 

এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম সম্পর্কে আরও একটি ইনফোসেশন ‘হাউ টু ডিজাইন অ্যা উইনিং পিচ ডেক’ অনুষ্ঠিত হবে ১৮ তারিখ। আগ্রহী স্টার্টআপগুলো জিপি এক্সেলারেটর প্রোগ্রাম সম্পর্কে আরও জানতে এই ফেব্রুয়ারি মাসে আয়োজিত হতে যাওয়া ইনফরমেশন সেশনগুলোতে অংশ নিতে পারেন। বিস্তারিত জানতে ফেসবুক পেজ- https://www.facebook.com/gpaccelerator/  অথবা ওয়েবসাইটে ভিজিট করতে পারেন- http://www.grameenphoneaccelerator.com

SD Asia Desk