২০১১ সালে যাত্রা শুরু করে ই-কমার্স সাইট বাগডুম। পাঁচ বছর পেরিয়ে বাগডুম এখন বাংলাদেশের শীর্ষস্থানীয় ই-কমার্স প্লাটফর্ম হয়ে দাঁড়িয়েছে। বেসিসের বর্তমান প্রেসিডেন্টস ফোরামের চেয়ারম্যান শামীম আহসান এবং স্ন্যাপচ্যাটের বর্তমান চীফ স্ট্র্যাটেজিক অফিসার ইমরান খানকে সাথে নিয়ে এখনই ডট কম নাম নিয়ে ই-কমার্স ব্যবসায় পা ফেলেছিলেন বাগডুমের সিইও সৈয়দা কামরুন আহমেদ। বুয়েট থেকে ক্যামিকাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটি থেকে এমবিএ করেছেন কামরুন। bagd বাগডুম শুরু করার আগে কামরুন ব্যাংক সেক্টর এবং ই-জেনারেশন নামে সফটওয়ার কোম্পনীতেও কাজ করেছেন। সেসব কাজ থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে বাংলাদেশে ব্যবসার নতুন সম্ভাবনা ‘ই-কমার্স’কে এগিয়ে নিতেই হাল ধরেছেন বাগডুমের। এসডি এশিয়ার সাথে সাক্ষাতকারে বাংলাদেশ ই-কমার্সের বর্তমান অবস্থা, ই-কমার্স ব্যবসার চ্যালেঞ্জ, chaussures de foot umbro বাগডুমের মার্কেটিং প্ল্যান এবং ই-কমার্সের সম্ভাবনার কথাই বলেছেন কামরুন।সেই সাথে নতুন ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের জন্য বেশ কিছু টিপসও দিয়েছেন তিনি।   বাগডুমের শুরুর দিকের কথাঃ ২০১১ সালে এখনি ডট কম নামে শুরু হয় বাগডুমের পথচলা।শুরুটা খুব বেশী সহজ ছিলনা এই ই-কমার্স প্লাটফর্মটির।

কামরুন জানান, ‘২০১১ সালে ই-কমার্স ব্যবসার ধরণ কেমন হবে সেটাই জানতো না বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষ। ই-কমার্স মানুষের কেনা-কাটা কতটা সহজ করে দেয় এবং সবার কাছে ই-কমার্সের প্রয়োজনীয়তা বোঝানোটাই আমাদের শুরুর দিকে চ্যালেঞ্জ ছিল’।

তিনি জানান, চীন, Nike Air Foamposite মালয়েশিয়া, ইন্দোনেশিয়া এবং ভারতের মত দেশগুলোতে তখন থেকেই ই-কমার্সের প্রতি আগ্রহী হয়ে উঠেছিল অনেক বেশী মানুষ। বিশেষ করে সেসব দেশের শহরের কর্মজীবী ব্যস্ত মানুষেরা কেনাকাটায় ই-কমার্স সাইটগুলোকে বেশী ব্যবহার করছিল।সেই চিন্তাটাই মাথায় রেখেছিলেন কামরুন ও বাগডুমের সহপ্রতিষ্ঠাতারা। বিশেষ করে ঢাকার যানজটের কথা চিন্তা করে শহর অঞ্চলে ‘ই-কমার্স বিপ্লবে’র ধারণা আসে তাদের। তাছাড়া কেনাকাটার সব পণ্যকে একই প্লাটফর্মে আনার ভাবনাটাও আসে।এমনকি বাংলাদেশে কর্মজীবী মহিলাদের কথাও মাথায় রেখেছিলেন কামরুন। কর্মব্যস্ত মানুষের কেনাকাটার ঝামেলা মেটানোর সাথে সাথে মানুষের বাসায় পণ্য পৌঁছে দেয়ার মাধ্যমে অনেকখানি সময় বাঁচিয়েও দেয় ই-কমার্স প্লাটফর্ম। সেসব অনুপ্রেরণা নিয়েই বাগডুমকে নিয়ে ই-কমার্স ব্যবসায় নেমে পরেন তারা। শুরুতেই সহপ্রতিষ্ঠাতাদের সাথে নিয়ে বুয়েটের অভিজ্ঞ ডেভেলপার দল, Nike Air Max 1 Femme অভিজ্ঞ ডিজিটাল মার্কেটিং দলকে নিয়ে বিজনেস প্ল্যান ঠিক করে ফেলেন কামরুন।তার আগে থেকেই বাগডুমের ফান্ডিং নিয়ে চিন্তা করে রেখেছিলেন তারা। বাংলাদেশে ই-কমার্স ব্যবসায় প্রথম দিকে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জঃ কামরুন জানান, ২০১১ সালে অনলাইনে কোন পেমেন্ট গেটওয়ে না থাকায় ঝামেলায় পরেছিলেন তারা। সেবছর দেশে অনলাইন পেমেন্ট গেটওয়ে চালু হবার পর,২০১১ সালের জুনেই অফিসিয়ালি বাগডুম যাত্রা শুরু করে। শুরুতেই কাস্টমারদের কাছে পৌঁছাতে বেশ কাঠখড় পুড়িয়েছে বাগডুম।সেজন্য শহরের কর্মব্যস্ত মানুষ এবং ইউনিভার্সিটি পড়ুয়া তরুণদের টার্গেট করে মার্কেটিং ক্যাম্পেইন সাজিয়েছিল তারা। ই-কমার্সের মাধ্যমে পণ্য ক্রয়ের জন্য তরুণদের আগ্রহী করতে বিভিন্ন ইউনিভার্সিটির ক্যাম্পাস ঘুরে ঘুরে নিজেদের পরিচিত করিয়েছে বাগডুম। নিজেদের বন্ধু-বান্ধব এবং পরিচিত সার্কেলকেও উৎসাহিত করেছিলেন তারা।এমনকি সেখান থেকেই প্রথমদিকের ক্রেতা পেয়েছিল বাগডুম। তবে এখন বাগডুমে অর্ডার দেয়ার সংখ্যায় প্রায় অর্ধেক ক্রেতাই ঢাকার বাইরের বলে জানালেন কামরুন।এমনকি কয়েক মাসের মাঝে ঢাকার বাইরের ক্রেতার সংখ্যা আরও বেড়ে যাবে বলে মনে করছেন তিনি। তবে বাংলাদেশে এখনও উন্নত দেশের মত ‘পিক-আপ-পয়েন্ট’ নেই যেখানে ক্রেতারা পণ্য দেখে-শুনে বেছে নিতে পারেন।আর তাই এমন ‘পিক-আপ-পয়েন্ট’ নিয়েও কাজ করার বেশ কিছু পরিকল্পনা আছে বাগডুমের। বাগডুমের বর্তমান দলঃ bag-team হাতে গোনা কয়েকজনকে নিয়ে শুরু করেছিল বাগডুম। এখন প্রায় ৬০ জনের বেশ বড় একটা দল নিয়ে কাজ করে যাচ্ছেন কামরুন। ঢাকার বাইরে ডেলিভারি করার জন্য বিভিন্ন কুরিয়ার এবং ডেলিভারি সার্ভিস ব্যবহার করে যাচ্ছে বাগডুম। তবে খুব শীঘ্রই বাগডুম ডেলিভারি নিয়ে বেশ বড়সড় একটা প্ল্যান নিয়ে আসছে, এমনটাই আভাস দিয়েছেন তিনি।   ই-কমার্স, Nike New York Giants jerseys অনলাইনে কেনা-কাটা এবং বাংলাদেশী ক্রেতাঃ   শুরুর দিকে বাংলাদেশের ক্রেতাদের কাছে অনলাইনে পণ্য বিক্রি করা এবং বিশ্বাস অর্জন করাটা অনেক বেশী কঠিন বলে মনে হয়েছিল কামরুনের কাছে। তবে পরিস্থিতি এখন অনেক বদলেছে বলে মনে করছেন তিনি। মানুষ এখন আগের চেয়ে অনেক বেশী কর্মব্যস্ত সময় পার করছে।আর তাই নিজের প্রয়োজনেই অনলাইন থেকে কেনাকাটা সারছেন ।সেই ব্যস্ত মানুষদেরকেই টার্গেট করছে বাগডুম। কামরুন জানান, Asics Gel Lyte Pas Cher কোয়ালিটির দিক থেকে কোন ভাবেই ছাড় দেয়না বাগডুম। উন্নতমানের পণ্য এবং কাস্টমার কেয়ারের কারনেই ক্রেতাদের বাগডুম ব্র্যান্ডের প্রতি বিশ্বাস এসেছে বলে মনে করছেন তিনি। কাস্টমারদের প্রতি বিশ্বাস আনতে নতুন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলোকে সেবার মান আরো বাড়ানোরও প্রয়োজন দেখছেন তিনি। সময়মতো ডেলিভারি এবং উন্নত মানের পণ্য সরবরাহের কোন বিকল্প দেখছেন না কামরুন। আর এসবকিছুর পেছনেই ভাল একটা বাজেট এবং ফান্ডিং থাকতেই হবে বলে মনে করছেন তিনি। আর ডিজিটাল মার্কেটিং ব্যবহার করে টার্গেট কাস্টমার বুঝে সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট দিতেও পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।সেই সাথে নতুন নতুন টেকনোলজি এবং ই-কমার্স ব্যবসার সর্বশেষ আপডেট সম্পর্কেও সব উদ্যোক্তাদের সচেতন থাকতে হবে ।

কামরুন জানান,’শুধু এক ওয়েবসাইট কিংবা ফেসবুক পেজ থেকেই ব্যবসা অনেকদূর চালিয়ে নেয়া সম্ভব না । আর তাই ,বেশ বড় প্ল্যান এবং ফান্ডিংকে পুঁজি করে ব্যবসা পরিচালনা করাই বুদ্ধিমানের কাজ হবে’।

মার্কেটিং এবং ব্র্যন্ডিং বাগডুমকে এক্সক্লুসিভ করেছেঃ 13876668_1125091454203273_309866388872758016_n  

বাগডুম কেন অন্য ই-কমার্স প্লাটফর্ম থেকে আলাদা এমন প্রশ্নের উত্তরে কামরুন জানান, ‘আমরা ব্র্যান্ডিংয়ে অনেক বেশী গুরুত্ব দিয়েছি। আমাদের ব্র্যান্ডিংই বাগডুমকে অন্য ই-কমার্স প্লাটফর্ম থেকে আলাদা করে চিনিয়েছে’।

তিনি জানান, ব্র্যান্ডিং নিয়ে বাগডুমের ডিজাইনার টিমও অনেক বেশী সচেতন। ব্র্যান্ডিং ছাড়া মার্কেটিংকেও অনেক গুরুত্ব দিচ্ছে বাগডুম।সোশ্যাল মার্কেটিং ক্যাম্পেইন নিয়ে অনেক বেশী সচেতন বাগডুম দল। কামরুন জানান, ‘কোন ক্যাম্পেইন যদি আশানুরুপ কার্যকর না হয় তখন আমরা নতুন কোন প্ল্যান নিয়ে ওই মার্কেটিং ক্যাম্পেইনের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে কাজ করে যাই’। এমনকি বাগডুম মার্কেটিং বাজেটকেও অনেক বেশী কার্যকর ভাবে ব্যবহার করছে বলে জানালেন তিনি। বাগডুমের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা: আরও অনেক দূর যাওয়ার স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশের প্রথম সারির ই-কমার্স সাইটটি। ডেলিভারি চ্যানেল নিয়ে অনেক বড় একটা প্ল্যান নিয়ে খুব তাড়াতাড়ি আসছে তারা। ‘পিক-আপ-পয়েন্ট’ নিয়েও বাগডুম সামনে কাজ করছে, Air Jordan 13 Uomo যাতে করে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষও এসে যাচাই-বাছাই করে তাদের পণ্য নিয়ে যেতে পারবে। আর্টিফিসিয়াল ইন্টেলিজেন্স(এআই) ব্যবহার করে নিজেদের অনলাইন সাইটটিকেও আরও বেশী বুদ্ধিমান করার চেষ্টা করে যাচ্ছে বাগডুম। কামরুন জানান, এতে করে কাস্টমারের আগেও ওয়েব ব্রাউজিং হিস্ট্রি থেকে কি কি পণ্য সার্চ করছিল এবং কি কি পণ্য কেনার আগ্রহ রয়েছে সেই ক্রেতার সেটা বের করা যাবে।ফলে ব্যবহারকারী তার পছন্দের পণ্য আরও তাড়াতাড়ি খুঁজে পাবে। শুধু তাই নয় বাংলাদেশের পুরো ই-কমার্স ইকোসিস্টেমকে নিয়ে একসাথে বড় হতে চায় বাগডুম। এজন্য বাগডুমের মত ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানগুলো যাদের কাছ থেকে পণ্য নিয়ে আসছে এবং অন্যান্য যারা ছোট-ছোট ই-কমার্সের নেপথ্যে কাজ করছেন তাদেরকে নিয়েও প্ল্যান রয়েছে বাগডুমের।সেজন্য ‘সহজ শর্তে ঋণ’ কিংবা কারিগরি সহায়তার মত বেশ কিছু পদক্ষেপ আছে বাগডুমের লিস্টে। উন্নত দেশগুলোর মতো ভবিষ্যতে ই-কমার্স ব্যবসা বাংলাদেশের জিডিপিতেও অনেক ভাল অবদান রাখবে বলেও বিশ্বাস করেন কামরুন। নতুন ই-কমার্স উদ্যোক্তা এবং প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য পরামর্শঃ

সবকিছুর উপরেই কামরুন গুরুত্ব দিচ্ছেন ফান্ডিংকে। তিনি বলেন,
  • Nike Air Max 90 Rosso Uomo
  • ‘অন্তত দু’বছরের ফান্ডিং নিয়ে ই-কমার্স ব্যবসা শুরু করতে হবে। কারণ ই-কমার্স ব্যবসা দাঁড় করাতে করাতেই প্রায় দু’বছর সময় চলে যায়। অনেক বেশী ঝুঁকি এবং পরিকল্পনা নিয়ে এগুতে হয় এই ই-কমার্স ব্যবসায়’।

    ই-কমার্স ব্যবসা নিয়ে অনেক বেশী সময় দিতে হয়।অনেক বেশী প্রতিকূলতা পার হয়ে অনেক দিন চেষ্টার পর সাফল্য ধীরে ধীরে আসে বলে মনে করেন তিনি। আর তাই কোন উদ্যোক্তা এই ব্যবসার জন্য আসলেই উপযুক্ত কিনা সেটাও নিজে থেকে পর্যবেক্ষণ করার প্রয়োজন মনে করেন তিনি। উদ্যোক্তার কোন প্রতিষ্ঠানে ২-৩ বছর কাজ করার অভিজ্ঞতাকেও বাড়তি সুবিধা বলে মনে করছেন তিনি।এতে করে টিমওয়ার্ক, বিজনেস প্ল্যান তৈরি, nike air max 2016 goedkoop ব্যবসা পরিচালনা এমনকি নেটওয়ার্কিংও বাড়বে। তাছাড়া নতুন ই-কমার্স উদ্যোক্তাদের অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামেও আবেদন করতে উৎসাহিত করেছেন তিনি। ‘নেটওয়ার্কিং’কে অনেক বেশী নম্বর দিছেন কামরুন।বিশেষ করে ই-কমার্স ব্যবসায় নেটওয়ার্কিং অনেক বেশী কাজে আসে।কারণ পণ্য গ্রহণ, বিক্রি, Asics GT 2160 সরবরাহ,