সর্বশেষ ২০১৩ সালে রবি লোকসানে পড়ে।আড়াই বছর পর ২০১৫ সালে আবার লোকসানে পড়েছে অপারেটরটি।

রবির মূল কোম্পানি আজিয়াটা গ্রুপের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত প্রতিবেদন বলছে, ডেটা খাতে মোবাইল ফোন অপারেটর রবি’র আয় বেশ খানিকটা বাড়লেও সামগ্রিকভাবে অপারেটরটি বেশ খানিকটা পিছিয়ে পড়েছে।গত বছর এই সময়ে অপারেটরটি ৯৩ কোটি ৯০ লাখ টাকা নেট লাভ করলেও এ বছরের একই সময়ে তারা উল্টো তিন কোটি ৪০ লাখ টাকা নেট লোকসান করেছে।

রবি বলছে, বায়োমেট্রিক সিম নিবন্ধনের কারণে নতুন সংযোগের পরিমাণ কমে যাওয়া, সকল মোবাইল টেলিযোগাযোগ সেবার ওপর বাড়তি এক শতাংশ সারচার্জ ও দুই শতাংশ সম্পূরক শুল্ক নির্ধারণ এবং ভয়েস সেবার চেয়ে ইন্টারনেটভিত্তিক সেবার দিকে ঝোঁকার ফলে প্রবৃদ্ধির ওপর এর প্রভাব পড়ায় চ্যালেঞ্জ নিয়েই ২০১৬ সালের শুরু।তাছাড়া নেটওয়ার্ক খাতে ক্রমাগত ব্যয়ের কারণে এক্ষেত্রে পরিচালনগত ব্যয় বৃদ্ধি এবং বাজারে সেবা ও পণ্যের দাম নিয়ে তুমুল প্রতিযোগিতার কারণে এমনটি হয়েছে। নেটওয়ার্ক আধুনিকায়ন এবং সম্প্রতি প্রণীত অর্থ আইন অনুসারে করের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পেয়েছে।

তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে অপারেটরটির স্মার্টফোনের প্রবৃদ্ধি ঘটেছে। জুনের শেষে অপারেটরটিতে ২৪ শতাংশ স্মার্টফোনের ব্যবহার হচ্ছে, যা গত বছরের একই সময়ে ছিল মাত্র ১৬ শতাংশ। এই সময়ে তাদের মাসিক গ্রাহক প্রতি গড় আয় ১৪৪ টাকা থেকে নেমে গেছে ১৩৫ টাকায়।

SD Asia Desk