স্মার্টফোনের বেশ কিছু ফিচার থেকে যেকোনো ব্যবহারকারীকেই অনুসরণ করা সম্ভব। ছবি, ব্লুটুথ প্রযুক্তি, এমনকি ফোনের ব্যাটারি পর্যন্ত ব্যবহারকারীর ওপর নজরদারিতে ব্যবহৃত হতে পারে।

তাছাড়া গুগল কিংবা সোশ্যাল সাইট ঘেঁটে সহজেই ব্যবহারকারীর পছন্দ- অপছন্দ বের করা সম্ভব।

17f8rtrvagua5jpg

স্মার্টফোনের ছবি তোলা হলে ছবিতে দিন, সময়, ক্যামেরার নানা তথ্য থেকে যায়। এ ছাড়া জিপিএস থেকে স্মার্টফোনে জিওট্যাগিং সুবিধা থাকায় ব্যবহারকারীর অবস্থানের তথ্যও সংরক্ষিত থাকে।

মোবাইল ফোনের ব্যাটারির মাধ্যমে নজরদারি করা হতে পারে বলে সতর্ক করেছেন গবেষকের।যারা রুটিন মাফিক চলেন তাদের হিসাব সহজেই বের করে দিতে স্মার্টফোন ব্যাটারি।এমনকি হ্যাকাররা একটা অ্যাপেই এই কাজ করতে পারে।

ক্যাসপারস্কির গবেষকেরা বলেন, ব্লুটুথ সেটিংস ঠিকমতো পরিবর্তন না করলে ব্লুটুথ ব্যবহার করে স্মার্টফোন ব্যবহারকারীর অবস্থানসহ নানা তথ্য বের করে নিতে পারে সাইবার দুর্বৃত্তরা। এ ক্ষেত্রে ব্লুটুথ যদি ‘নন-ডিসকভারেবল’ মোডে রাখা হয়, তবু তা নিরাপদ নয়। দুর্বৃত্তরা ব্লুটুথ কাজে লাগিয়ে ব্লুজ্যাকিং করতে পারে।

SD Asia Desk