কয়েক বছর ধরেই সম্ভাবনাময় কোন আইডিয়া নিয়ে স্টার্টআপকে নিয়ে বিজনেস স্টেজে এসে কাজ শুরু করেছেন। কিন্তু তারপরও যথেষ্ট পরিমাণ ফান্ডিং, নেটওয়ার্কিং বা সবার কাছে পরিচিতি কিংবা বড় কোন প্লাটফর্মের মাধ্যমে না আসার দরুন খুব বেশী এগুতে পারছেন না। এমন স্টার্টআপদের জন্য রয়েছে জিপি অ্যাকসেলারেটর প্লাটফর্ম।

জিপি অ্যাকসেলারেটরের প্রথম ব্যাচের সেরা পাঁচে ছিল সেবা।  দক্ষ প্রফেশনালদের মাধ্যমে ঘরের ওয়াই-ফাই কানেকশন, ইলেক্ট্রনিক পণ্য থেকে শুরু করে পানির কল ঠিক করার সেবাও নিশ্চিত করে সেবা। তাদের শুরুটাও অনেকটা এমনই ছিল। জিপি অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামে যোগদানের কয়েক মাসের মধ্যেই নিজেদেরকে আরও বড় করেছে স্টার্টআপটি। এমনকি বেশ কয়েকটি বিনিয়োগকারীর কাছ থেকে বিনিয়োগও মিলেছে তাদের।

IMG_7428

সেবার সিইও আদনান ইমতিয়াজ জানান, ‘বেশ কয়েক মাস ধরেই কাজ চালিয়ে যাবার পর আমাদের স্টার্টআপটি জিপি অ্যাকসেলারেটরে সুযোগ পেয়ে যায়। এখানে সবচেয়ে বেশী কাজে লেগেছে নেটওয়ার্কিং এবং বড় প্লাটফর্মের মাধ্যমে সবার কাছে পরিচিতি পাওয়া। এমনকি এই প্লাটফর্ম আমাদের নতুন বিনিয়োগ পাওয়ার জন্যও কাজে লেগেছে।তাই আমাদের মত স্টার্টআপদের জন্যও জিপি অ্যাকসেলারেটরে যোগ দেয়াটা বেশ বুদ্ধিমানের মত কাজ হবে’।

যারা ফান্ডের অভাবে কিংবা সঠিক মেন্টর না থাকায় টেক ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছেন না তাদের জন্য ২০১৫ সালে এসডি এশিয়া এবং গ্রামীণফোন চালু করেছে ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রাম। বাংলাদেশের তথ্য এবং প্রযুক্তি খাতের স্টার্টআপদের উন্নয়ন প্লাটফর্ম হতে যাচ্ছে এই নতুন প্রোগ্রাম। এরই মধ্যে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছে প্রথম ব্যাচের সেরা পাঁচটি স্টার্টআপ।

দ্বিতীয় ব্যাচের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। নতুন টেক উদ্যোক্তারা দেরি না করে ৩০ জুনের আগে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে নিন।কারণ এরপরই শুরু হয়ে যাবে দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম।যাচাই-বাছাইয়ের পর আপনার স্টার্টআপটি টিকে গেলেই মিলে যাবে দারুণ কিছু সুযোগ।