যারা ফান্ডের অভাবে কিংবা সঠিক মেন্টর না থাকায় টেক ব্যবসা এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছেন না তাদের জন্য ২০১৫ সালে এসডি এশিয়া এবং গ্রামীণফোন চালু করেছে ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রাম। বাংলাদেশের তথ্য এবং প্রযুক্তি খাতের স্টার্টআপদের উন্নয়ন প্লাটফর্ম হতে যাচ্ছে এই নতুন প্রোগ্রাম। এরই মধ্যে গ্র্যাজুয়েশন সম্পন্ন করেছে প্রথম ব্যাচের সেরা পাঁচটি স্টার্টআপ।

দ্বিতীয় ব্যাচের জন্য আবেদন গ্রহণ শুরু হয়েছে। নতুন টেক উদ্যোক্তারা দেরি না করে ৩০ জুনের আগে রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করে নিন।কারণ এরপরই শুরু হয়ে যাবে দ্বিতীয় পর্বের কার্যক্রম।যাচাই-বাছাইয়ের পর আপনার স্টার্টআপটি টিকে গেলেই মিলে যাবে দারুণ কিছু সুযোগ।

যারা এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না আপনার প্রোজেক্ট, স্টার্টআপ কিংবা ব্যবসাটি কি ধরনের হলে ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রামের জন্য আবেদন করবেন তাদের জন্য আজকের আর্টিকেল।

অনেক সফটওয়ার, আইটি, অ্যাপ ডেভেলপমেন্ট কোম্পানিই অনেক নতুন নতুন প্রোটোটাইপ, মোবাইল অ্যাপ কিংবা কোন আইডিয়া নিয়ে কাজ করে। সেসব কোম্পানী তাদের নিজেদের মূল কোম্পানি বাদ দিয়ে নির্দিশট প্রোজেক্ট নিয়ে আলাদাভাবে আবেদন করতে পারেন ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রামের জন্য।

প্রথম ব্যাচের সেরা পাঁচের একটি স্টার্টআপ ক্যান্ডির শুরুটা অনেকটা এমনই। মূল কোম্পানি থে ক্যান্ডি অ্যাপের আইডিয়া নিয়ে জিপি অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামে আবেদন করেছিল তারা। সিইও সিদ্দিক আবু বক্কর আগ্রহিদের পরামর্শ হিসেবে বলেন, ‘মূল কোম্পনি থেকে আলাদা হয়ে নতুন কোন সমস্যা সমাধানের টেক প্রোজেক্ট নিয়ে অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারেন।সমস্যা সমাধানের জন্য মার্কেট রিসার্চ এবং ব্যবহারকারীদের ফিডব্যাক জেনে নেয়াটা অনেক জরুরী’।

তাই ছোট ছোট মোবাইল অ্যাপ দিয়ে বড় কোন সমস্যার সমাধান থাকলে আপনার স্টার্টআপ নিয়ে আজকেই আবেদন করুন জিপি অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামের জন্য।