অক্টোবর ২০১৫ থেকে বাংলাদেশের সেরা টেকনোলজি স্টার্ট-আপদের অ্যাকসেলারেট করার জন্য গ্রামীণফোনের সাথে এসডি এশিয়া যুক্ত হয়ে ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রামের যাত্রা শুরু করে।‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রামের প্রথম ব্যাচের জন্য কয়েকশ’ স্টার্ট-আপ অ্যাপ্লিকেশন থেকে ইন্টার্ভিউ, ডেমো প্রেজেন্টেশন এবং বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে বাছাই শেষে ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রামের জন্য সেরা পাঁচটি স্টার্ট-আপকে বাছাই করা হয়েছে।

এসডি এশিয়ার প্রতিষ্ঠাতা এবং সিইও মোস্তাফিজুর রাহমান খান ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রাম সম্পর্কে বলেন, ‘সেরা দশের প্রত্যেকটি স্টার্টআপই এত সম্ভাবনাময় ছিল যে, তাদের মধ্য থেকে পাঁচটি বাছাই করা খুব কঠিন ছিল’।

এই ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই সেরা স্টার্টআপ গুলো ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রামের সাথে যুক্ত হয়ে যাবে। এক নজরে দেখে নিতে পারেন ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রামের এবারের ব্যাচের সেরা স্টার্টআপকে।

IMG_8900

এনোভেশনঃ

যে কোন ব্যবসার জন্য ওয়েবসাইট ডিজাইনের কাজ করে থাকে এনোভেশন। দেশ-বিদেশের ক্রেতাদের লক্ষ্য রেখে বিভিন্ন টেম্পলেট এবং ব্যবসায়ীক ওয়েবসাইটকে দারুণভাবে ডিজাইন করে দেয়ার দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে স্টার্টআপটি।

ক্যান্ডি:

ব্যবহারকারীদের লক স্ক্রিনে কন্টেন্ট নিয়ে আসার মত বুদ্ধিমান একটি অ্যাপের মত কাজ করে যাচ্ছে ক্যান্ডি।কম সময়ের মধ্যে ক্যান্ডি অ্যাপটি যে কোন ব্যবসায়ীক কন্টেন্টকে সবার কাছে পরিচিত করে তুলবে।

শেয়ার ইংকঃ

ঘুরে বেড়ানোর জন্য পুরো ঢাকা শহরের মধ্যে কারপুলিং সেবা দিয়ে থাকে শেয়ার ইংক।এই মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনের মাধ্যমে ব্যবহারকারীদের নিরাপদে এবং সোশ্যাল নেটওয়ার্কিংয়ের মাধ্যমে সময় এবং টাকা বাঁচিয়ে গ্রাহক সেবা নিশ্চিত করে।

সেবাঃ

ঘরের সব কাজের সহযোগিতা করে থাকে সেবা। দক্ষ প্রফেশনালদের মাধ্যমে ঘরের ওয়াই-ফাই কানেকশন, ইলেক্ট্রনিক পণ্য থেকে শুরু করে পানির কল ঠিক করার সেবাও নিশ্চিত করে সেবা।

রেপটোঃ

অনলাইন কোর্সের মার্কেট-প্লেস হিসেবে কাজ করে রেপটো। এখান থেকেই যেকোনো কোর্সের লেসন, ওয়েব টুল এবং অনলাইন কোর্স ডাউনলোড করে নিতে পারবে যে কোন ব্যবহারকারী। এরই মধ্যে রেপটোর অনেক বেশী ফ্রি এবং পেইড কালেকশন রয়েছে। রেপটোর প্লাটফর্ম ব্যবহার করে যে কেউ তাদের ক্যারিয়ার এবং জ্ঞান বাড়িয়ে নিতে পারবে।

IMG_8915

ক্যান্ডির সিইও সিদ্দিক আবু বকর ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রাম সম্পর্কে জানান, “‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রাম থেকে মেন্টরদের সাহায্য এবং ফান্ডিংয়ের মাধ্যমে আমাদের ব্যবসাকে আরও বেশী মানুষের কাছে পৌঁছানোর সুযোগ তৈরি হয়েছে’।

গ্রামীণফোনের চিফ স্ট্র্যাটিজি অফিসার এরল্যান্ড পেস্টগার্ড বলেন, ‘ আশা করছি স্টার্টআপদের নির্বাচন করার মাধ্যমে অ্যাকসেলারেটর প্রোগ্রামটিকে দারুণ ভাবে শুরু করতে যাচ্ছি।প্রথমবারের মত গ্রামীণফোনকে নিয়ে এমন প্রোগ্রামের সাথে সংযুক্ত হচ্ছি যা আগে করতে বেশ দ্বিধায় ছিল গ্রামীণফোন। শুধুই ‘টেলিকম কোম্পানি’ তকমা পেরিয়ে এখন গ্রামীণফোন বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ টেক শিল্পের সাথে জড়াতে চাচ্ছে।এসডি এশিয়াকে সাথে নিয়ে আমরা বাংলাদেশের স্টার্টআপকে এগিয়ে নেয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে গ্রামীণফোন’।

জিপি অ্যাকসেলারেটরঃ নতুন সব টেক স্টার্টআপদের সুযোগ করে দেবে ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রাম। এসডি এশিয়া এবং গ্রামীণফোনের মধ্যকার চুক্তির কার্যক্রম শুরু হবে ফেব্রুয়ারি মাসে। ‘জিপি অ্যাকসেলারেটর’ প্রোগ্রামের জন্য সেরা ৫টি স্টার্টআপ বাছাই কর হবে। সেই প্রক্রিয়ার শেষে ডেমোডে তে তাদের প্রজেক্ট গুলো বিনিয়োগকারীদের সামনে তুলে ধরা হবে। নির্বাচিত প্রকল্প গুলো প্রজেক্ট বাস্তবায়নের জন্য ১০ লক্ষ্য টাকার বেশী করে পাবেন। এছাড়াও তারা গ্রামীণফোনের প্রধান কার্যালয় ‘জিপি হাউজে’ তাদের প্রকল্প নিয়ে কাজ করার জন্য অফিস স্পেস পাবেন। এই প্রকল্পের প্রধান লক্ষ্য সম্ভাবনাময় টেক স্টার্ট-আপ গুলো সঠিক মেন্টরশিপ এবং ফান্ডের মাধ্যমে এগিয়ে নেয়া।