মাস শেষ হওয়ার আগেই পকেটের অবস্থা খারাপ হয়ে যায় বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষের। এই বিল, সেই বিল দিতে দিতে দেখা যায় নিজের অ্যাকাউন্টে আর কোন টাকা জমা রাখা যায় না।বিশেষ করে যাদের অনেক খরচের হাত তারা ধার করেই পার করে মাসের অর্ধেক সময়।তাই খরুচেদের তো অবশ্যই এমনকি সবারই বছর শেষে নিরাপত্তার জন্য বেশ কিছু টাকা জমা করা উচিত।

আজকের আর্টিকেলটি পড়ে জেনে নিন কিভাবে ৩০ বছর হওয়ার আগেই ৩০ লাখ টাকা জমানোর উপায়।

১। সরকারি স্কুল-কলেজ-বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে হবে

বাংলাদেশে সরকারী স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় বেসরকারি স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশুনার খরচ অনেক বেশী।তাই শুরুতেই খরচ কমাতে হলে সরকারী প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করার লক্ষ্য স্থির করতে হবে।এমনকি সরকারী প্রতিষ্ঠানে ভাল রেজাল্ট করলে বিনা বেতনে পড়াশুনা করার জন্য স্কলারশিপেরও সুযোগ পাওয়া যায়।তাই সেদিক থেকে অনেক খরচ বেচে যাবে আপনার।

২। ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার বন্ধ করতে হবে

পকেটে ক্রেডিট কার্ড থাকলে টাকা ধার নেয়ার প্রবণতা অনেক বেড়ে যায়। আর তাই অনেকেই কোন চিন্তা না করেই উচ্চ সুদ হারে ঋণ নিতে থাকে। তাই এই ঋণ লাভের চেয়ে ক্ষতিই করে বেশী। তাই ক্রেডিট কার্ড ব্যবহার করাই বিরত থাকতে হবে। কারণ যখন সুদসহ লোন নেয়া হয়,সেটা লাভের চেয়ে ক্ষতিই বেশী করে।

৩। খরচ করতে হবে ছাত্র-ছাত্রীদের মত

আয় বুঝে ব্যয় করাই বুদ্ধিমানের কাজ।তাই টাকা-পয়সা জমাতে চাইলে খরচও অনেক কম করতে হবে। ছাত্রদের মত হাত-খরচ অনেক কমিয়ে ফেললেই আরও বেশী টাকা জমানো যাবে। এমনকি নতুন কোন পদক্ষেপ নেয়ার আগে বার বার চিন্তা করে দেখতে হবে কত কম টাকা খরচ করে কাজটি করা যায়।

৪। পার্ট টাইম আরও একটা চাকরি খুঁজতে পারেন

একটা চাকুরী করছেন এতেই কি সন্তুষ্ট থাকবেন?বাড়তি টাকা জমাতে চাইলে বাড়তি খাটুনি করতেই হবে। আর তাই একটা চাকুরী পেলেও বাড়তি আরেকটা চাকুরী খুঁজতে পারেন। ফ্রি সময়ে সেখান থেকেই অনেক টাকা পাওয়া সম্ভব।

৫। ভাল বেতনের জন্য চাকুরী বদল

অন্য কোন প্রতিষ্ঠানে বেশী বেতনের চাকুরী পেলে সেখানেই চলে যাওয়া উচিত। পুরনো প্রতিষ্ঠানের প্রতি মায়া দেখালেই হবে না। টাকা জমাতে হলে ভাল বেতনের চাকুরীর দিকেই ঝুঁকে পড়া উচিত।