গুগলে ইংরেজিতে ফরমালিন লিখে সার্চ দিলেই সবার প্রথমে ‘ফরমালিন ইন ফুড বাংলাদেশ’ দেখা যায় সবার প্রথমে।কারণ ফরমালিন মিশ্রিত সবজি,ফল এমনকি মাংশও বাংলাদেশের বাজারে এখন একবারে পরিচিত বিষয়।

রিসার্চ বলছে বাংলাদেশের ৭০-৯০% খাবার ফরমালিন মিশ্রিত

ফরমালিন বাংলাদেশে এতই পরিচিত একটি বিষয় যে,নিউজ ক্যাটাগরিতে সার্চের ১০ম পেজে গেলেও বাংলাদেশের ফরমালিন সংক্রান্ত তথ্য পাওয়া যায়।এর কারণ একটাই, বাংলাদেশে ফরমালিন শব্দটার সাথে পরিচিতি অনেক বেশী।

 

বাংলাদেশের মানুষ এখন চাইলেই সহজে ফরমালিন মুক্ত খাবার খুঁজে পায় না।বাজারকে ফরমালিন মুক্ত করতে বাংলাদেশ সরকার এরই মধ্যে ‘ফরমালিন নিয়ন্ত্রণ আইন-২০১৫’ পেশ করেছে।নতুন আইনে ভঙ্গকারীর জন্য কঠিন শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। তারপরও কার্যকর ভাবে বাজার থেকে ফরমালিনকে দূর করা যাচ্ছে না।

 

ফরমালিন মুক্ত খাবার তৈরি করার সংগ্রামে অনেকেই সামিল হলেও, বাংলাদেশের কিছু ই-কমার্স সাইট সরাসরি সমাধান নিয়ে এসেছে। বিশুদ্ধ খাবার সরবরাহ করে ক্রেতাদের আস্থা অর্জন করছে তারা।এখন মানুষজন বাজারে ভিড় না করে অনলাইন সাইটগুলো থেকে কেনা কাটা করতেই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করে। ই-কমার্স সাইটগুলো এখন কৃষকদের সাথে সরাসরি যুক্ত হয়ে বিশুদ্ধ মানের খাবার তৈরি করছে।এসব খাবার তৈরিতে আন্তর্জাতিক নিয়ম মানা হচ্ছে।এমনকি ফসল উৎপাদন, সরবরাহ সবকিছু নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

 

ঠিক তেমনই এক অনলাইন সাইট হল ডাইরেক্ট ফ্রেশ। বাজারে যাওয়ার ঝামেলা এড়ানো কিংবা সুপারশপ থেকে লাইনে দাঁড়িয়ে শপিং করার ঝামেলা থেকে মুক্তি দিচ্ছে ডাইরেক্ট ফ্রেশ।শুধু সাইটে ঢুকে লগইন করার পর, অর্ডার দিলেই হবে। এমনকি টাকাও পে করা যাবে অনলাইনে।

Tousif Alam