দর কষাকষিকেও এক ধরনের শিল্প বলা হয়।অনেক সময় দর কষাকষির মাধ্যমে অনেক দামী জিনিশও সাধ্যের মধ্যে কেনা যায়।ব্যবসায়ীক ক্ষেত্রে কিংবা প্রতিদিনের কেনা কাটায় দর দাম করার প্রয়োজন পড়ে। আর তাই ভবিষ্যতে ব্যবসাকে এগিয়ে নিয়ে যেতে দর দাম করার বিষয়টি অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

কিছু ভুল শুধরে নিলে উপকারী হব আমরাই। দেখে নিন দর কষাকষির ক্ষেত্রে যে ভুলগুলো করা যাবে না ,

 

আত্মবিশ্বাসী হতে হবে,

অনেকে মনে করে খুব বেশী উচ্চস্বরে কথা বললেই দর কষাকষিতে জিতে যাওয়া সম্ভব হবে। আবার কেউ কেউ ভাবেন নিজের অভিজ্ঞতা দিয়ে প্রতিপক্ষকে ঘায়েল করবেন। কিন্তু তাদেরকে অতি আত্মবিশ্বাসী না হতে উপদেশ দিয়েছেন ডাইনামিক ভীষণ ইন্টারন্যাশনালের সিইও এবং ‘থিংক লাইক আ নেগোশিয়েটর’ বইয়ের লেখক লুইস ফার্নান্দেজ। তিনি মনে করেন ব্যবসায়ীক দর কষাকষির আগে একটু প্র্যাকটিস করে নেয়া উচিৎ। আগে থেকেই কিছুটা প্রস্তুতি নিয়ে রাখলে দর কষাকষিতে এগিয়ে থাকা যাবে।

 

ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে আলোচনা করা থেকে বিরত থাকতে হবে,

 

খুব বেশী ব্যক্তিগত তথ্য নিয়ে আলোচনা হলে অনেক সময়ে ব্যবসায়ীক চুক্তি ভেস্তে যেতে পারে। তাই ছোট বেলার প্রিয় কোন শখ বা ঘটনা নিয়ে অপ্রয়োজনীয় আলোচনা করা উচিৎ নয়। তবে ব্যবসার সাথে সম্পৃক্ত কোন তথ্য থাকলে অনেক সময় ব্যবসায়ীক চুক্তিকে আরও পাকাপোক্ত করতে হবে।

ঘুরিয়ে প্রশ্ন করা যাবে না,

 

কোন চুক্তি সংক্রান্ত কিছু জানতে চাইলে তা ঘুরিয়ে না জেনে সরাসরি প্রশ্ন করাই ভাল। কারণ সরাসরি প্রশ্ন না করার অভাবে চুক্তির মধ্যে ধোঁয়াশা থেকে যায়। ফলে পরবর্তীতে আরও বড় বিপদ আসার সম্ভাবনা থেকে যায়।

 

খুব বেশী কথা বলা থেকে বিরত থাকতে হবে,

 

ব্যবসায়ীক পার্টনারদের সাথে অনেক বেশী কথা বলা হলে উপকারের চেয়ে বিপদই হতে পারে বেশী। তাই প্রয়োজনের চেয়ে বেশী কথা বলা উচিৎ নয়। কারণ বেফাঁস অনেক মন্তব্যের কারণে আপনার গুরুত্বপূর্ণ পার্টনার চলে যেতে পারেন। এতে করে আপনার ব্যবসাই বেশী ক্ষতিগ্রস্ত হবে।

 

ব্যবসা সংক্রান্ত এমন আরও উপদেশ পেতে চোখ রাখুন এসডি এশিয়ার সাইটে।

আপনাদের মতামত এবং টিপস জানাতে পারেন টুইটার অ্যাকাউন্টেও @sdasiaco @tousifalamafc।

Tousif Alam