ডোমেইন এবং ওয়েব হোস্টিং ব্যবসায় বাংলাদেশ খুব দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছে।বাংলাদেশের সরকারী অফিসগুলো থেকে শুরু করে বেসরকারি এবং ব্যক্তি পর্যায়েও তথ্য পাওয়ার জন্য ইন্টারনেট ধীরে ধীরে সহজলভ্য হতে শুরু করেছে উন্নয়নশীল এই দেশে।

 

ইন্টারনেটের দেখাশোনা, নিয়ন্ত্রণ এবং পরিচালনা করা সবকিছুই হয়ে থাকে ডোমেইনের মাধ্যমে। ওয়েব হোস্টিং সার্ভিসগুলো প্রত্যেকের আলাদাভাবে এবং প্রতিষ্ঠানগুলো ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ওয়েবের মাধ্যমে তাদের ডোমেইনে প্রবেশ করতে পারে।

 

বাংলাদেশে এই ডোমেইন এবং ওয়েব হোস্টিং বিজনেস সার্ভিস বেশ বড় একটি যায়গা দখল করতে যাচ্ছে। নতুন নতুন উদ্যোক্তা এবং বিনিয়োগকারীরা তাই চোখ কান খোলা রাখতে পারেন। গত বছর এই ব্যবসায় ৩.৩ বিলিয়ন টাকা লাভ হয়েছিল। ফিক্সড ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ফি এবং ওয়েব হোস্টিং চার্জের মাধ্যমে মূল লাভ হয়ে থাকে। কারণ প্রত্যেক ক্লায়েন্টকে প্রতি বছরে এই চার্জ পরিশোধ করতে হয়। লোকাল ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন কোম্পানিগুলো প্রতিটির চার্জ হিসেবে ৯৫০ টাকা থেকে ১০৫০ টাকা পর্যন্ত চার্জ করে থাকে। ইন্টারনেট স্পিড এবং যায়গা অনুপাত ভিত্তিতে এই ডোমেইন চার্জ ভিন্ন হয়ে থাকে।

 

বিটিসিএল, বেসিস এবং বাংলাদেশ ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার(আইএসপিএবি)য়ের তথ্য অনুযায়ী ২০১৪ সালে ডোমেইন রেজিস্ট্রেশন ৮ লাখ ছাড়িয়েছে। শুধু বিটিসিএলই ২০১৪ সালে ১৭০০০ ডোমেইন বিক্রি করেছে। আগামী বছর বিটিসিএল আরও এক লাখ ডোমেইন নিবন্ধন করার পরিকল্পনা করছে। গোড্যাডি, আইপেইজ,ওয়েব ডট কম, জাস্ট হোস্ট ডট কম, ব্লু হোস্ট, ফ্যাট কাউ এবং আরও অনেক প্রতিষ্ঠান আছে যারা এই কাজ করছে।

 

ডোমেইন এবং ওয়েব হোস্টিং বাদেও বাংলাদেশে আরও একটি লাভজনক ব্যবসা হল ডোমেইন নিলাম। অনেক প্রতিষ্ঠানই তাদের ডোমেইন বেশী দামে বিক্রি করে অনেক টাকা লাভও করছে।

Tousif Alam