নিউজিল্যান্ড এবং অস্ট্রেলিয়ায় চলছে ক্রিকেট বিশ্বকাপ ২০১৫। বাংলাদেশের অধিকাংশ মানুষের বিশ্বকাপ দেখার মূল ভরসা টেলিভিশনের পর্দা।এবারের খেলাগুলোর বেশীর ভাগই পড়েছে বাংলাদেশ সময়ে সকাল সাড়ে নয়টা থেকে বিকাল পর্যন্ত। তাই যারা সারাদিন কর্ম ব্যস্ত সময় কাটায়, চাকুরীজীবী মানুষজন যারা খেলা দেখার সময় পাচ্ছেন না, তারা কানের হেড-ফোনে রেডিওতে সরাসরি ধারাবিবরণী শুনে নিচ্ছেন। এবার তাদের খেলার সাথে সম্পৃক্ত থাকার জন্য দারুণ এক সুযোগ নিয়ে এসেছে গ্রামীণফোন। বিশ্বকাপ চলাকালীন সময়ে অর্থাৎ এপ্রিলের ৩০ তারিখ পর্যন্ত কোন ডাটা চার্জ ছাড়াই টুইটার ব্যবহার করতে পারবে গ্রামীনফোন ব্যবহারকারীরা।

‘সবার জন্য ইন্টারনেট’ এই ক্যাম্পেইনের আওতায় টুইটারে নতুন এই সেবা দিয়ে যাচ্ছে দেশের সেরা টেলিকম ব্র্যান্ড ‘গ্রামীণফোন’।

 

যাদের টুইটারে একাউন্ট নেই তারাও এই টুইটার টাইমলাইনে প্রবেশ করতে পারবেন। twitter.com/i/cricket এই ঠিকানায় ক্লিক করে বিশ্বকাপের চলমান ম্যাচের ফলাফল,ধারা বিবরণী জানতে পারবেন বাংলাদেশের যে কোন প্রান্ত থেকে।

 

#CWC15 এই হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করে টুইটার থেকে যে কেউ বিশ্বকাপের সর্বশেষ খবর জেনে নিতে পারবেন।এন্ড্রয়েড কিংবা আইওএস অপারেটিং সিস্টেম চালিত ফোন বা মোবাইল ওয়েব থেকে যাওয়া যাবে এই ঠিকানায়।

 

শুধু আপডেটেই নয়, বিশ্বকাপের প্রতি মুহূর্তের ছবি এবং ভিডিওগুলোও কোন ডাটা চার্জ ছাড়াই দেখতে পারবে গ্রামীনফোন ব্যবহারকারীরা।

অবশ্য এক্ষেত্রে একটা কাজ করতে হবে গ্রামীণফোনের গ্রাহকদের। যে কোন একটি ইন্টারনেট প্যাকেজ আগে কিনে নিতে হবে তাদের। প্যাকেজ চালু থাকলেই ফ্রি টুইটার সেবা গ্রহণ করতে পারবে তারা।

টুইটারে যেয়ে শুধু বিশ্বকাপের খবরই নয় খেলোয়াড়দের প্রোফাইল ফলো করতে পারবে তারা। বাংলাদেশের অফিসিয়াল টুইটার পেজ, সাকিব আল হাসান মুশফিকদের মত তারকা ক্রিকেটার এমনকি বিশ্ব ক্রিকেটের অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড, ভারত, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, সাউথ আফ্রিকা, ওয়েস্ট ইন্ডিজসহ প্রায় সব দেশের নামি দামি তারকাদের টুইটার একাউন্ট রয়েছে। তাদেরকে ফলো করেও বিশ্বকাপের উত্তালের সাথে গা ভাসানো যাবে।

 

কারণ বিশ্বকাপ উন্মাদনায় সামিল হতে খেলোয়াড়রাও প্রতিদিন ভক্তদের সাথে নতুন নতুন ফটো ভিডিও  শেয়ার করে যাচ্ছেন।এর আগে গ্রামীণফোনের ফ্রি ইন্টারনেট সেবার এক ক্যাম্পেইনে সাড়া বাংলাদেশের থেকে মাত্র ৩% মানুষ অংশ নিয়েছিল।এবার দেখা যাক, গ্রামীণফোনের এই উদ্যোগ বাংলাদেশের মানুষদের ইন্টারনেটের দিকে কতখানি টেনে নিয়ে যায়।

Tousif Alam